মানসম্মত আসল ঘি আপনার-আমার শরীরকে সুস্থ ও চাঙ্গা রাখে।
শিশু থেকে কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী সহ যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ যারা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করেন যেমন- খেলাধুলা, শরীর চর্চা বা ব্যায়াম, পিটি-প্যারেড, নাচ, ৪৫ মিনিট নিয়মিত হাঁটা, জুডো-কারাতে, পড়াশোনা ইত্যাদি, তাঁদের জন্য ঘি পারফেক্ট সুপার ফুড।
নিয়মিত ঘি খেলে কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
যারা দুধ খেতে পারেননা অর্থাৎ যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যা আছে তাঁরা নির্দ্বিধায় ঘি খেতে পারেন- পুষ্টি চাহিদা মিটবে।
রাজসিক ঘি বিরিয়ানি, পোলাও, কোরমা, রেজালা, বিভিন্নধরনের ডেজার্ট আইটেমকে করে তোলে জিভে জল আনার মতো সুস্বাদু আর হৃদয় ভরিয়ে দেয় মনমাতানো সুঘ্রাণে। গরম ভাতে, বিভিন্ন ভর্তায়, নিরামিষে, খিচুড়িতে রাজসিক ঘি ছড়িয়ে খেতে যেন অমৃত!
প্রতিটি সুস্থ মানুষের ( ২ বছর +) প্রতিদিন ২ চা-চামচ ঘি খাওয়া উচিৎ ( অধিক পরিশ্রমকারীদের জন্য প্রয়োজনে এর পরিমাণ শর্তসাপেক্ষে বাড়ানো যেতে পারে)।
প্রতি জার ঘির মূল্য ৯০০ টাকা কিন্তু অফারে পাচ্ছেন মাত্র ৮১০ টাকায়
তেলের স্মোকিং পয়েন্ট প্রায় ১০০° সেন্টিগ্রেড অর্থাৎ ১০০° সে. তাপমাত্রা অতিক্রম করলে তেলের গুণাগুণ হারিয়ে যায় বা বিষাক্ত হয়ে যায় যদি তা সত্যিকারের তেল হয় ( ক্যামিক্যাল হলে তো কথাই নেই)!
অথচ আসল ঘি এর স্মোকিং পয়েন্ট ২৫০° সেন্টিগ্রেড প্রায় যা আমাদের উপমহাদেশীয় রান্নার জন্য একদম পারফেক্ট, কারণ সাবকন্টিনেন্টাল ফুড রান্নায় প্রায় সবসময় উচ্চ তাপ ব্যবহারের অনুশীলন বিদ্যমান।
একটি ছোটো পরিবারের একটি আইটেম রান্নায় মাত্র ২ টেবিল চামচ রাজসিক ঘির ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়ানো যেতে পারে, খাবারও হয়ে ওঠে সুস্বাদু, ভরে ওঠে মন মাতানো সৌরভে।
মনে রাখা দরকার - অপরিমিত ও অপরিকল্পিত ব্যবহারে অমৃতও কিন্তু বিষ!
আসল ঘি চেনার উপায় কী?
জিহবা! আপনার জিহবাই আসল ঘি'র প্রথম আইডেন্টিফায়ার। এরপর আপনার নাক- ঘ্রাণেই আলাদা করে ফেলতে পারে। আর চোখতো আছেই।
তারপরও বলি- আসল ঘি রুম টেম্পারেচারে ( ঘরের ভিতর স্বাভাবিক তাপমাত্রায়) এর কন্ডিশন চেইঞ্জ করবে। জ্বাল দেওয়ার পর ঠান্ডা হলে তরল থাকে- দেখতে তেলের মতো মনে হবে। এর পর রুম টেম্পারেচার ৩০-৩২° সে. এর উপরে থাকলে তা সাধারণত প্রায় তরলই থাকবে কিন্তু এর নিচে নামতে থাকলে তা জমতে থাকবে, ঘন হতে থাকবে তবে কখনোই শক্ত হবে না। আবার তামমাত্রা বাড়তে থাকলে তা আবার গলতে থাকবে এবং ধিরে ধিরে তরলে পরিণত হতে থাকবে।
ঘি তৈরির কোন পদ্ধতিটি শ্রেষ্ঠ?
তিনটি পদ্ধতিতে সাধারণত ঘি তৈরি হয় - ১। সর পদ্ধতি ( এটা বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহ সম্ভব কিনা এবং কতটা তাজা তা সন্মানিত গ্রাহকদের ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো)।
২। সেপারেটেড ক্রিম পদ্ধতি ( প্রতি মণ দুধ থেকে প্রায় ২ কেজি ঘি তৈরি করা সম্ভব, এজন্য এটি তুলনামূলক কম দামে সরবরাহ করা সম্ভব)।
৩। মাখন পদ্ধতি ( প্রতি ৪২-৪৫ লিটার দুধে প্রায় ৯৫০- ১১০০গ্রাম ঘি তৈরি করা যায় ( এর টেক্সচার, কালার, স্বাদ অতুলনীয় ও ঘ্রাণে তাজা আর সংরক্ষণেও দীর্ঘস্থায়ী)।
সিরাজগঞ্জ ডেইরী ফুড প্রোডাক্টসের রাজসিক ঘি তৈরি করা হয় মাখন পদ্ধতিতে। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দুধ জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে জমিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে মাখন তোলা হয়। সেই মাখন তোলা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই চুলায় পরিমিত জ্বাল দেওয়া হয়। আর এর পরই বেরিয়ে আসে সোনালী রঙের মিষ্টি কড়া জ্বালের ঘি এবং হাল্কা কালচে সোনালী রঙের কড়া জ্বালের ঘি।
তাই বলা যায় রাজসিক ঘি একদম ফ্রেশ মাখন গলানো ঘি যা ব্র্যান্ড হিসেবে অভিজাত।
রাজসিক ব্র্যান্ডের ঘি কেন খাবেন?
বিশেষ তত্ত্বাবধানে দক্ষ কারিগরের নিপুণ হাতে ঘি তৈরি হয়।
লাকড়ির চুলায় ঘি জ্বাল দেওয়া হয়।
খাঁটি গরুর খাঁটি দুধ থেকে তৈরি করা হয়।
শতভাগ অর্গানিক ও মানসম্মত।
দেশের সেরা ঘি মানেই সলপের সিরাজগঞ্জ ডেইরী ফুড প্রোডাক্টসের ঘি যা দেশের একটি সিগনেচার প্রোডাক্ট।
এই অঞ্চলের ঘি মুঘল দরবার ও নবাব-আমীর-ওমরাদের প্রাসাদের রসুইঘরে অপরিহার্য ছিলো।